এদিনের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অল ত্রিপুরা অসংগঠিত শ্রমিক কংগ্রেসের চেয়ারম্যান শান্তনু পাল, সুভদ্রা চক্রবর্তী, অর্পিতা সরকার, শিপ্রা বণিক প্রমুখ। এভাবে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভাতৃত্বের বন্ধন ছড়িয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগের জন্য তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানান সাধারণ মানুষ।
এ দিনের এই কর্মী সম্পর্কে অর্পিতা সরকার লিখেছেন- ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাখি পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করি। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে কবিগুরু রবি ঠাকুর রাখি বন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন। রাখি বন্ধন হচ্ছে সম্প্রীতি, ভাতৃত্ববোধ এর উৎসব। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় এই উৎসব উদযাপন করেছি। রাখি বন্ধন শুধুমাত্র ঘরে ভাই বোনের উৎসব নয়। ভারতবর্ষে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের মেলবন্ধনের উৎসব হচ্ছে এই রাখি বন্ধন। প্রতিটি মানুষের মধ্যে ভালো এবং খারাপ আছে। সব পুরুষ যে খারাপ হবে এমন তো না। আমরা জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নারীরা আন্তরিক ভালবাসার মাধ্যমে সম্প্রীতি ভাতৃত্ববোধে এই উৎসব পালন করেছি। হিংসা ছড়ালেই হিংসা বারে। মা সারদা বলেছিলেন ভালোবাসায় সব হয়। আমাদের জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সবাই আন্তরিক ভালবাসা ও সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে আমরা এই উৎসবটি আজকে পালন করলাম।
0 মন্তব্যসমূহ